LessonKits হলো একটি AI-ভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম যা বাংলাদেশের NCTB পাঠ্যক্রম অনুসারে প্রশ্ন তৈরি করে। আপনি চাইলে যেকোনো অধ্যায় থেকে, যেকোনো টপিকের উপর, আপনার পছন্দমতো কাঠিন্য স্তরে প্রশ্ন তৈরি করে নিতে পারবেন। শিক্ষকরা ক্লাস টেস্ট, সাপ্তাহিক পরীক্ষা, মডেল টেস্ট বা বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সহজেই প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবেন। আবার শিক্ষার্থীরাও নিজেদের অনুশীলনের জন্য প্রশ্ন জেনারেট করে নিতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, AI সবসময় ১০০% নির্ভুল নয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্নে ছোটখাটো ভুল থাকতে পারে বা টেক্সটবুকের বাইরের তথ্য চলে আসতে পারে। তাই প্রশ্ন ব্যবহারের আগে একবার যাচাই করে নেওয়া ভালো। LessonKits-এ "Edit & Print" অপশন আছে — এখানে ক্লিক করে আপনি যেকোনো প্রশ্ন সম্পাদনা করতে পারবেন এবং তারপর সরাসরি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
নিচে রসায়ন ১ম পত্রের চতুর্থ অধ্যায় থেকে নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন দেওয়া হলো:
## Creative Questions (CQ) - Chapter 4: Chemical Change
**1:** নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের বিক্রিয়ায় অ্যামোনিয়া উৎপাদনের একটি ধাপ নিচে দেওয়া হলো:
$N_2(g) + 3H_2(g) \rightleftharpoons 2NH_3(g); \Delta H = -92.4 kJmol^{-1}$
**দৃশ্যকল্প-২:** একটি আবদ্ধ পাত্রে $25^\circ C$ তাপমাত্রায় ও $1 atm$ চাপে $PCl_5$ এর বিয়োজন ঘটালে দেখা যায় যে, সাম্যাবস্থায় $PCl_5$ এর $40\%$ বিয়োজিত হয়।
- **ক)** উভমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে?
- **খ)** প্রভাবক কিভাবে বিক্রিয়ার গতিকে নিয়ন্ত্রণ করে তা ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** দৃশ্যকল্প-২ এর বিক্রিয়াটির জন্য $K_p$ এর মান নির্ণয় করো।
- **ঘ)** দৃশ্যকল্প-১ এর বিক্রিয়ায় সর্বোচ্চ উৎপাদ পেতে লা-শাতেলিয়ের নীতির প্রয়োগ বিশ্লেষণ করো।
**2:**দুটি পাত্রে নিম্নোক্ত রাসায়নিক পদার্থ রাখা আছে:
পাত্র-১: $50 mL$ $0.1 M$ ইথানয়িক এসিড ($CH_3COOH$)। ($K_a = 1.8 \times 10^{-5}$)
পাত্র-২: $40 mL$ $0.1 M$ সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড ($NaOH$)।
- **ক)** পানির আয়নিক গুণফল ($K_w$) কী?
- **খ)** শিল্প উৎপাদনে লা-শাতেলিয়ের নীতির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
- **গ)** পাত্র-১ ও পাত্র-২ এর দ্রবণ মিশ্রিত করলে মিশ্রণের pH কত হবে? গাণিতিকভাবে নির্ণয় করো।
- **ঘ)** পাত্র-১ এর দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলে pH এর মানের কোনো পরিবর্তন হবে কি? বাফার ক্রিয়ার কৌশলের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
**3:** নিচে কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ার তথ্য দেওয়া হলো:
(i) $C(s) + O_2(g) \rightarrow CO_2(g); \Delta H = -393.5 kJ$
(ii) $H_2(g) + \frac{1}{2}O_2(g) \rightarrow H_2O(l); \Delta H = -285.8 kJ$
(iii) $CH_4(g) + 2O_2(g) \rightarrow CO_2(g) + 2H_2O(l); \Delta H = -890.3 kJ$
- **ক)** হেসের সূত্রটি বিবৃত করো।
- **খ)** তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের প্রশমন তাপ সর্বদা ধ্রুবক থাকে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে মিথেন ($CH_4$) এর গঠন তাপ নির্ণয় করো।
- **ঘ)** উদ্দীপকের বিক্রিয়াগুলো ব্যবহার করে শক্তির নিত্যতা সূত্র বা ল্যাভয়সিয়ে-ল্যাপলাস সূত্রের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব কি? বিশ্লেষণ করো।
**4:** **বিক্রিয়ক:** এডিপিক এসিড ($HOOC-(CH_2)_4-COOH$) এবং হেক্সামিথিলিন ডাইএমিন ($H_2N-(CH_2)_6-NH_2$)।
**বিক্রিয়ার ধরন:**
১. সাধারণ পলিমারকরণ বিক্রিয়া (নাইলন-৬,৬ প্রস্তুতি)।
২. পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে (Green Chemistry) ক্যাপ্রোল্যাকটাম থেকে নাইলন-৬ প্রস্তুতি যেখানে অ্যাটম ইকোনমি (Atom Economy) ১০০%।
- **ক)** গ্রিন কেমিস্ট্রি বা সবুজ রসায়ন কী?
- **খ)** বিক্রিয়ার হারের ওপর তাপমাত্রার প্রভাব আরহেনিয়াসের সমীকরণসহ ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** দৃশ্যকল্পের ১ম বিক্রিয়াটিতে যদি ২ অণু পানি অপসারিত হয় এবং উৎপাদের আণবিক ভর ২২৬ হয়, তবে বিক্রিয়াটির অ্যাটম ইকোনমি নির্ণয় করো।
- **ঘ)** পরিবেশ সুরক্ষায় ২য় পদ্ধতিটি ১ম পদ্ধতি অপেক্ষা শ্রেয় কেন? গ্রিন কেমিস্ট্রির নীতিমালার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
**5:** নিচে বন্ধন শক্তির একটি তালিকা দেওয়া হলো:
| বন্ধন | বন্ধন শক্তি ($kJ/mol$) |
| :---: | :---: |
| $C-H$ | $414$ |
| $Cl-Cl$ | $244$ |
| $C-Cl$ | $326$ |
| $H-Cl$ | $431$ |
বিক্রিয়ক: মিথেন ($CH_4$) ও ক্লোরিন ($Cl_2$)।
বিক্রিয়ার সমীকরণ: $CH_4(g) + Cl_2(g) \xrightarrow{UV} CH_3Cl(g) + HCl(g)$
- **ক)** ভরক্রিয়া সূত্রটি লেখো।
- **খ)** $K_p$ ও $K_c$ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করো এবং এদের তাৎপর্য লেখো।
- **গ)** উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে বিক্রিয়াটির এনথালপির পরিবর্তন ($\Delta H$) হিসাব করো।
- **ঘ)** বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী না তাপহারী? প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বন্ধন ভাঙা ও গড়ার শক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
**6:** ল্যাবরেটরিতে একজন শিক্ষার্থী রক্তে pH এর মান নিয়ন্ত্রণের কৌশল পরীক্ষার জন্য একটি কার্বনেট বাফার দ্রবণ তৈরি করল।
**উপাদান:** কার্বনিক এসিড ($H_2CO_3$) এবং সোডিয়াম বাইকার্বনেট ($NaHCO_3$)।
রক্তের প্লাজমায় $H_2CO_3$ এর ঘনমাত্রা $1.2 \times 10^{-3} M$ এবং $HCO_3^-$ এর ঘনমাত্রা $2.4 \times 10^{-2} M$। ($pK_a = 6.1$)
- **ক)** বাফার দ্রবণ কাকে বলে?
- **খ)** মানুষের রক্তে pH এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে রক্তের pH নির্ণয় করো।
- **ঘ)** "অতিরিক্ত এসিডিক খাবার গ্রহণ সত্ত্বেও রক্তের pH এর মান অপরিবর্তিত থাকে"—উদ্দীপকের বাফার সিস্টেমের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
**7:** একটি ক্যালরিমিটার যন্ত্রে $100 g$ পানিতে $5 g$ অক্সালিক এসিড ($C_2H_2O_4.2H_2O$) দ্রবীভূত করা হলো। এতে মিশ্রণের তাপমাত্রা $2.5^\circ C$ হ্রাস পেল। পানির আপেক্ষিক তাপ $4.18 J g^{-1} K^{-1}$ এবং ক্যালরিমিটারের তাপগ্রাহিতা নগণ্য ধরা হলো।
- **ক)** দহন তাপ কী?
- **খ)** বিয়োজন ধ্রুবক ($K_a$) এর সাথে এসিডের তীব্রতার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে অক্সালিক এসিডের দ্রবণ তাপ নির্ণয় করো।
- **ঘ)** "সকল এসিড-ক্ষার প্রশমন বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয়, কিন্তু অক্সালিক এসিডের দ্রবণ তৈরিতে তাপমাত্রা হ্রাস পায়"—তাপগতিবিদ্যার আলোকে এই ভিন্নতার কারণ বিশ্লেষণ করো।
**8:** লেখচিত্র: নিচে একটি উভমুখী বিক্রিয়ার সময়ের সাথে ঘনমাত্রার পরিবর্তনের লেখচিত্র দেওয়া হলো:
Y-অক্ষ = ঘনমাত্রা (mol/L), X-অক্ষ = সময় (s)।
লেখচিত্রে দেখা যাচ্ছে, বিক্রিয়ক 'A' এর ঘনমাত্রা সময় বাড়ার সাথে সাথে কমছে এবং উৎপাদ 'B' এর ঘনমাত্রা বাড়ছে। $t = 10$ সেকেন্ড সময়ে উভয় রেখা সমান্তরাল হয়ে গেছে।
বিক্রিয়ার সমীকরণ: $A(g) \rightleftharpoons 2B(g)$
সাম্যাবস্থায় $[A] = 0.2 M$ এবং $[B] = 0.4 M$।
- **ক)** সক্রিয়ণ শক্তি কাকে বলে?
- **খ)** সাম্যাবস্থা একটি গতিশীল অবস্থা—ব্যাখ্যা করো।
- **গ)** উদ্দীপকের বিক্রিয়াটির সাম্যাধ্রুবক $K_c$ নির্ণয় করো।
- **ঘ)** যদি পাত্রের আয়তন অর্ধেক করা হয়, তবে নতুন সাম্যাবস্থায় 'A' ও 'B' এর ঘনমাত্রার কী পরিবর্তন হবে? গাণিতিক যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
আপনি চাইলে লেসনকিটস্ যেকোন প্রশের উত্তর তৈরী করে দিতে পারে। লেসনকিটস্ এর কাছে এই প্রশ্নগুলোর মধ্যে ৪ নম্বর প্রশ্রের উত্তর দিতে বলা হয়েছিল। লেসনকিটস্ এর উত্তর:
এখানে ৪ নং সৃজনশীল প্রশ্নটির নমুনা উত্তর দেওয়া হলো:
**৪ নং প্রশ্নের উত্তর**
**ক) গ্রিন কেমিস্ট্রি বা সবুজ রসায়ন কী?**
পরিবেশের দূষণ হ্রাস করে এবং ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে রাসায়নিক দ্রব্য ও প্রক্রিয়া নকশা, সংশ্লেষণ ও প্রয়োগ করার কৌশলকে গ্রিন কেমিস্ট্রি বা সবুজ রসায়ন বলে। এর মূল লক্ষ্য হলো ক্ষতিকর বর্জ্য উৎপাদন কমানো এবং নিরাপদ রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করা।
**খ) বিক্রিয়ার হারের ওপর তাপমাত্রার প্রভাব আরহেনিয়াসের সমীকরণসহ ব্যাখ্যা করো।**
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বিক্রিয়ক অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, ফলে তাদের মধ্যে কার্যকর সংঘর্ষের সংখ্যা বেড়ে যায় এবং বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায়। বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস তাপমাত্রার সাথে বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক ($k$) এর সম্পর্ক একটি সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করেন:
$$k = A e^{-E_a/RT}$$
এখানে,
$k$ = হার ধ্রুবক
$A$ = আরহেনিয়াস ধ্রুবক বা কম্পাঙ্ক গুণক
$E_a$ = সক্রিয়ণ শক্তি
$R$ = মোলার গ্যাস ধ্রুবক
$T$ = কেলভিন তাপমাত্রা
সমীকরণ থেকে দেখা যায়, তাপমাত্রা ($T$) বৃদ্ধি পেলে $e^{-E_a/RT}$ এর মান বৃদ্ধি পায়, ফলে হার ধ্রুবক $k$ এর মান বাড়ে এবং বিক্রিয়ার গতি ত্বরান্বিত হয়। সাধারণভাবে, প্রতি $10^\circ C$ তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বিক্রিয়ার হার প্রায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়।
**গ) দৃশ্যকল্পের ১ম বিক্রিয়াটির অ্যাটম ইকোনমি নির্ণয় করো।**
উদ্দীপকের ১ম বিক্রিয়াটি হলো এডিপিক এসিড ও হেক্সামিথিলিন ডাইএমিন এর ঘনীভবন পলিমারকরণ বিক্রিয়া।
**বিক্রিয়কগুলোর আণবিক ভর নির্ণয়:**
১. এডিপিক এসিড ($C_6H_{10}O_4$) এর আণবিক ভর:
$= (12 \times 6) + (1 \times 10) + (16 \times 4)$
$= 72 + 10 + 64 = 146$
২. হেক্সামিথিলিন ডাইএমিন ($C_6H_{16}N_2$) এর আণবিক ভর:
$= (12 \times 6) + (1 \times 16) + (14 \times 2)$
$= 72 + 16 + 28 = 116$
$\therefore$ বিক্রিয়কগুলোর মোট ভর = $146 + 116 = 262$
**কাঙ্ক্ষিত উৎপাদের ভর:**
উদ্দীপক অনুযায়ী, কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ (নাইলন-৬,৬ এর রিপিটিং ইউনিট) এর ভর = $226$।
*(দ্রষ্টব্য: মোট বিক্রিয়ক থেকে ২ অণু পানি $2 \times 18 = 36$ বাদ দিলে $262 - 36 = 226$ পাওয়া যায়)*
**অ্যাটম ইকোনমি নির্ণয়:**
আমরা জানি,
$$\% \text{Atom Economy} = \frac{\text{কাঙ্ক্ষিত উৎপাদের আণবিক ভর}}{\text{সবগুলো বিক্রিয়কের মোট আণবিক ভর}} \times 100$$
$$= \frac{226}{262} \times 100$$
$$= 86.26\%$$
**উত্তর:** ১ম বিক্রিয়াটির অ্যাটম ইকোনমি **৮৬.২৬%**।
**ঘ) পরিবেশ সুরক্ষায় ২য় পদ্ধতিটি ১ম পদ্ধতি অপেক্ষা শ্রেয় কেন? গ্রিন কেমিস্ট্রির নীতিমালার আলোকে বিশ্লেষণ করো।**
পরিবেশ সুরক্ষা এবং রাসায়নিক বর্জ্য হ্রাসের ক্ষেত্রে দৃশ্যকল্পের ২য় পদ্ধতিটি (ক্যাপ্রোল্যাকটাম থেকে নাইলন-৬ প্রস্তুতি) ১ম পদ্ধতি অপেক্ষা অনেক বেশি কার্যকর এবং শ্রেয়। নিচে গ্রিন কেমিস্ট্রির নীতিমালার আলোকে এর বিশ্লেষণ করা হলো:
১. **অ্যাটম ইকোনমি (Atom Economy):**
গ্রিন কেমিস্ট্রির অন্যতম প্রধান নীতি হলো অ্যাটম ইকোনমি বৃদ্ধি করা।
* 'গ' হতে আমরা পাই, ১ম পদ্ধতিতে (নাইলন-৬,৬ প্রস্তুতি) অ্যাটম ইকোনমি ৮৬.২৬%। অর্থাৎ, এই প্রক্রিয়ায় ১৩.৭৪% ভরের অপচয় হয় বা বর্জ্য হিসেবে (পানি বা এসিড) পরিবেশে নির্গত হয়।
* অন্যদিকে, উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২য় পদ্ধতিতে অ্যাটম ইকোনমি ১০০%। অর্থাৎ, বিক্রিয়ক ক্যাপ্রোল্যাকটামের সবটুকু অংশই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ নাইলন-৬ এ পরিণত হয়। কোনো উপজাত বা বর্জ্য তৈরি হয় না।
২. **বর্জ্য পদার্থ রোধ (Prevention of Waste):**
১ম পদ্ধতিতে পানি বা $HCl$ এর মতো উপজাত তৈরি হয় যা অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বা এগুলো অপসারণের জন্য অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। কিন্তু ২য় পদ্ধতিতে কোনো বর্জ্য তৈরি না হওয়ায় এটি পরিবেশের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না। গ্রিন কেমিস্ট্রির ১ম নীতি হলো—বর্জ্য শোধন করার চেয়ে বর্জ্য তৈরি না করা উত্তম।
৩. **নিরাপদ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া:**
যেহেতু ২য় পদ্ধতিতে বিক্রিয়কের ১০০% উৎপাদে পরিণত হয়, তাই এই প্রক্রিয়াটি অনেক বেশি সাশ্রয়ী এবং কাঁচামালের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি টেকসই উন্নয়নের (Sustainable Development) জন্য অপরিহার্য।
**সিদ্ধান্ত:**
ওপরের বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, ২য় পদ্ধতিতে বর্জ্য শূন্যের কোঠায় এবং বিক্রিয়কের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হয়, যা গ্রিন কেমিস্ট্রির মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই পরিবেশ সুরক্ষায় ২য় পদ্ধতিটি ১ম পদ্ধতি অপেক্ষা শ্রেয়।

0 টি মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।