ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি ও ইন্টারনেটের মৌলিক ধারণা
এইচএসসি আইসিটি অধ্যায় ৪ এর প্রথম পাঠ: ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি, ইন্টারনেট, WWW, আইপি অ্যাড্রেস, ডোমেইন নেম এবং ইউআরএল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।
অধ্যায় ৪: ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি এবং এইচটিএমএল - লেকচার ১
- ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি ও ইন্টারনেটের মৌলিক ধারণা
- ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ঠিকানা খোঁজা
- ওয়েব পেজ ও ওয়েবসাইট: পার্থক্য কী?
- ওয়েব পোর্টাল (Web Portal) কী?
- ইন্টারনেট বনাম WWW: দুটি কি এক?
- ক্লায়েন্ট ও সার্ভার মডেল
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) কী?
- আইপি অ্যাড্রেসের প্রকারভেদ: IPv4 বনাম IPv6
- ডোমেইন নেম (Domain Name): মানুষের ভাষা
- DNS (Domain Name System): ইন্টারনেটের ফোনবুক
- টপ লেভেল ডোমেইন (TLD)
- ইউআরএল (URL) এর ব্যবচ্ছেদ
- ইন্টারনেট প্রটোকল: যোগাযোগের নিয়ম
- ওয়েব ব্রাউজার ও সার্চ ইঞ্জিন: পার্থক্য কোথায়?
- এসইও (SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন
- সারসংক্ষেপ: আজ আমরা যা শিখলাম
- ধন্যবাদ!
অধ্যায় ৪: ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি ও ইন্টারনেটের মৌলিক ধারণা
কল্পনা করুন আপনি একটি অচেনা শহরে ঘুরতে গিয়েছেন। আপনার হাতে একটি স্মার্টফোন আছে, যাতে জিপিএস (GPS) চালু করা। আপনি যখন কোনো গন্তব্যের নাম লিখে সার্চ দেন, জিপিএস আপনাকে নিখুঁতভাবে সেই জায়গায় পৌঁছে দেয়। ইন্টারনেট জগতটাও ঠিক এরকমই একটি বিশাল শহর, যেখানে কোটি কোটি তথ্যের ভাণ্ডার রয়েছে। আমরা যখন ব্রাউজারে কোনো ঠিকানা (যেমন: www.facebook.com) লিখি, তখন ইন্টারনেটের অদৃশ্য 'জিপিএস' আমাদের সঠিক ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়।
কিন্তু এই বিশাল কর্মযজ্ঞটি কীভাবে চলে? আমরা অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করি, কিন্তু এর পেছনের কারিগরি বিষয়গুলো—যেমন আইপি অ্যাড্রেস, ডোমেইন নেম, ডিএনএস (DNS)—সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখি না। এইচএসসি আইসিটি বিষয়ের চতুর্থ অধ্যায়ের এই অংশে আমরা সেই অদৃশ্য জগতটিকেই আবিষ্কার করব। এখান থেকে পরীক্ষায় অনুধাবনমূলক ও প্রয়োগমূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই প্রতিটি সংজ্ঞা ও পার্থক্য মনোযোগ দিয়ে পড়া জরুরি।
১. ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW): বিভ্রান্তি নিরসন
অনেকেই মনে করেন 'ইন্টারনেট' এবং 'ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব' (WWW) একই জিনিস। কিন্তু বাস্তবে এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। সহজ কথায় বললে, ইন্টারনেট হলো হার্ডওয়্যার বা অবকাঠামো (যেমন: রাস্তাঘাট), আর ওয়েব হলো সেই অবকাঠামোর ওপর চলা সেবা বা সার্ভিস (যেমন: রাস্তায় চলা গাড়ি বা পরিবহন ব্যবস্থা)।
সংজ্ঞা (Definition): ইন্টারনেট (Internet) হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা টিসিপি/আইপি (TCP/IP) প্রটোকল ব্যবহার করে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করে।
সংজ্ঞা (Definition): ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েব পেজগুলোর একটি বিশাল ভাণ্ডার, যা ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা যায়। ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি এটি উদ্ভাবন করেন।
ইন্টারনেট বনাম WWW এর তুলনা
পরীক্ষায় প্রায়ই এই পার্থক্যটি লিখতে বলা হয়। নিচের ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করুন:
| বৈশিষ্ট্য | ইন্টারনেট (Internet) | ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) |
|---|---|---|
| প্রকৃতি | এটি হলো বিশ্বের সকল নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক (Network of Networks)। | এটি ইন্টারনেটের একটি সেবা বা সার্ভিস মাত্র। |
| উপাদান | এর মূল উপাদান হলো হার্ডওয়্যার (রাউটার, সার্ভার, ক্যাবল, স্যাটেলাইট)। | এর মূল উপাদান হলো সফটওয়্যার ও প্রটোকল (এইচটিএমএল পেজ, এইচটিটিপি)। |
| নির্ভরশীলতা | ওয়েব ছাড়াও ইন্টারনেট চলতে পারে (যেমন: ইমেইল, এফটিপি)। | ইন্টারনেট ছাড়া ওয়েব চলতে পারে না। |
| জন্ম | ১৯৬৯ সালে (ARPANET হিসেবে যাত্রা শুরু)। | ১৯৮৯ সালে (CERN ল্যাবরেটরিতে)। |
২. ওয়েব পেজ, ওয়েবসাইট ও ওয়েব পোর্টাল
ইন্টারনেটের মৌলিক একক হলো ওয়েব পেজ। একটি বই যেমন অনেকগুলো পাতার সমষ্টি, ঠিক তেমনি একটি ওয়েবসাইট হলো অনেকগুলো ওয়েব পেজের সমষ্টি।
- ওয়েব পেজ (Web Page): ইন্টারনেটে তথ্যের একক বা সিঙ্গেল ডকুমেন্ট যা এইচটিএমএল (HTML) ভাষায় লেখা হয়।
- ওয়েবসাইট (Website): একই ডোমেইনের অধীনে একাধিক ওয়েব পেজের সমষ্টি।
- হোম পেজ (Home Page): কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে প্রথম যে পেজটি প্রদর্শিত হয়।
ওয়েব পোর্টাল (Web Portal)
অনেকে ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পোর্টালকে গুলিয়ে ফেলেন। পোর্টাল হলো বিশেষ ধরণের ওয়েবসাইট যা ব্যবহারকারীকে তথ্যের একটি 'প্রবেশদ্বার' বা হাব (Hub) হিসেবে সেবা দেয়।
গুরুত্বপূর্ণ (Important): সব ওয়েব পোর্টালই ওয়েবসাইট, কিন্তু সব ওয়েবসাইট ওয়েব পোর্টাল নয়।
- একটি সাধারণ ওয়েবসাইট নির্দিষ্ট কিছু তথ্য দেয় (যেমন: কোনো কলেজের ওয়েবসাইট)।
- একটি ওয়েব পোর্টাল বিভিন্ন সোর্সের লিংক, ইমেইল, ফোরাম, সার্চ ইঞ্জিন ইত্যাদি সুবিধা এক জায়গায় জড়ো করে দেয় (যেমন: Yahoo!, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)। পোর্টালের কাজ হলো ব্যবহারকারীকে গাইড করে অন্য তথ্যের কাছে নিয়ে যাওয়া।
৩. আইপি অ্যাড্রেস (IP Address): ইন্টারনেটের ডিজিটাল ঠিকানা
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের যেমন আলাদা আঙ্গুলের ছাপ বা ফোন নম্বর আছে, তেমনি ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের (কম্পিউটার, মোবাইল, প্রিন্টার) একটি অদ্বিতীয় বা ইউনিক ঠিকানা থাকে। এই ঠিকানাকেই বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস।
সংজ্ঞা (Definition): আইপি অ্যাড্রেস (Internet Protocol Address) হলো ইন্টারনেটে বা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অদ্বিতীয় গাণিতিক পরিচিতি বা লজিক্যাল অ্যাড্রেস, যার মাধ্যমে ডিভাইসটিকে শনাক্ত করা যায়।
আইপি অ্যাড্রেস মূলত দুই প্রকার:
১. IPv4 (Internet Protocol version 4)
২. IPv6 (Internet Protocol version 6)
IPv4 এর গঠন
বর্তমানে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে IPv4 ব্যবহার করি। এটি ৩২ বিটের একটি ঠিকানা। একে ৮ বিট করে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ভাগকে বলা হয় অক্টেট (Octet)। প্রতিটি অক্টেটকে ডট (.) দিয়ে আলাদা করা হয়।
পরীক্ষার টিপস (Exam Tip): IPv4 এ প্রতিটি অক্টেটের মান ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যায় ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে হতে হবে। যেমন: 192.168.0.1 একটি সঠিক আইপি, কিন্তু 192.168.300.1 ভুল, কারণ ২৫৫ এর বেশি মান গ্রহণযোগ্য নয়।
IPv4 বনাম IPv6
ইন্টারনেটের প্রসার বাড়ার সাথে সাথে IPv4 এর ঠিকানা শেষ হয়ে আসছিল, তাই নতুন সংস্করণ IPv6 তৈরি করা হয়েছে। এদের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | IPv4 | IPv6 |
|---|---|---|
| বিট সংখ্যা | ৩২ বিট (32-bit)। | ১২৮ বিট (128-bit)। |
| প্রকাশ পদ্ধতি | ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করা হয় (যেমন: 192.168.10.1)। | হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হয় (যেমন: 2001:0db8:85a3::)। |
| বিভাজন | ডট (.) দিয়ে ৪টি ভাগে বিভক্ত। | কোলন (:) দিয়ে ৮টি ভাগে বিভক্ত। |
| ধারণক্ষমতা | প্রায় ৪৩০ কোটি (যা এখন অপর্যাপ্ত)। | প্রায় ৩.৪ $\times$ $১০^{৩৮}$ (অসীম প্রায়)। |
| নিরাপত্তা | আইপি সেক (IPSec) বিল্ট-ইন থাকে না। | আইপি সেক (IPSec) বিল্ট-ইন থাকে, তাই বেশি নিরাপদ। |
৪. ডোমেইন নেম ও ডিএনএস (DNS)
আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা মানুষের জন্য খুব কঠিন। আপনি কি সবসময় 157.240.192.35 মনে রাখতে পারবেন? নিশ্চয়ই না! কিন্তু facebook.com মনে রাখা খুব সহজ। এই মনে রাখার সুবিধাজনক নামই হলো ডোমেইন নেম।
সংজ্ঞা (Definition): ডোমেইন নেম হলো আইপি অ্যাড্রেসের একটি আলফানিউমেরিক (অক্ষর ও সংখ্যা বিশিষ্ট) নাম, যা ব্যবহারকারী সহজে মনে রাখতে পারে। এটি মূলত ওয়েবসাইটের নাম।
ডিএনএস (DNS - Domain Name System)
আমরা যখন ব্রাউজারে ডোমেইন নেম লিখি, কম্পিউটার কিন্তু নাম চিনে না, সে চিনে আইপি অ্যাড্রেস। তখন ডিএনএস সার্ভার একটি 'ফোনবুক'-এর মতো কাজ করে। এটি ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে ব্রাউজারকে সঠিক সার্ভারে নিয়ে যায়।
টপ লেভেল ডোমেইন (TLD)
ডোমেইন নেমের শেষের অংশকে (যেমন: .com, .org) বলা হয় টপ লেভেল ডোমেইন বা TLD। এটি দুই প্রকার:
-
জেনেরিক ডোমেইন (Generic TLD): ওয়েবসাইটের প্রকৃতি বোঝায়।
-.com= কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
-.org= অলাভজনক সংগঠন (Organization)
-.edu= শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (Education)
-.net= নেটওয়ার্ক সার্ভিস
-.gov= সরকারি প্রতিষ্ঠান (Government)
-.mil= সামরিক বাহিনী (Military) -
কান্ট্রি কোড ডোমেইন (Country Code TLD): দেশটির ভৌগোলিক পরিচয় দেয়। দুটি অক্ষর দিয়ে এটি প্রকাশ করা হয়।
-.bd= বাংলাদেশ
-.in= ভারত
-.us= যুক্তরাষ্ট্র
-.uk= যুক্তরাজ্য
৫. ইউআরএল (URL): ঠিকানার ব্যবচ্ছেদ
আমরা ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে যে পুরো ঠিকানাটি দেখি, তাকেই ইউআরএল বা URL বলে।
সংজ্ঞা (Definition): URL (Uniform Resource Locator) হলো ইন্টারনেটে বা ওয়েবে থাকা কোনো রিসোর্স বা তথ্যের (যেমন: ওয়েব পেজ, ছবি, ভিডিও) পূর্ণাঙ্গ ও অদ্বিতীয় ঠিকানা।
একটি URL-এর বিভিন্ন অংশ থাকে। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন:
একটি আদর্শ URL-এর গঠন: protocol://subdomain.domain-name.tld/path/directory
উদাহরণ (Example): https://www.google.com/search
- https: প্রটোকল (কী নিয়মে তথ্য আসবে)।
- www: সাব-ডোমেইন বা হোস্ট নেম।
- google: ডোমেইন নেম (মূল নাম)।
- .com: টপ লেভেল ডোমেইন (TLD)।
- /search: পাথ বা ডিরেক্টরি (সার্ভারের কোন ফোল্ডারে ফাইলটি আছে)।
গুরুত্বপূর্ণ (Important): পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন আসে: "URL এবং ডোমেইন নেমের মধ্যে পার্থক্য কী?"
- উত্তর: ডোমেইন নেম হলো কেবল ওয়েবসাইটের নাম (যেমন: facebook.com), আর URL হলো সেই ওয়েবসাইটের কোনো নির্দিষ্ট পাতার সম্পূর্ণ ঠিকানা (যেমন: https://facebook.com/profile/photo123)। অর্থাৎ, ডোমেইন নেম হলো URL-এর একটি অংশ।
৬. ওয়েব ব্রাউজার ও সার্চ ইঞ্জিন
ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় এই দুটি টুল আমরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি, কিন্তু এদের কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)
এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর যন্ত্রে ইন্সটল করা থাকে। এর কাজ হলো সার্ভার থেকে তথ্য এনে ব্যবহারকারীর সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা।
- উদাহরণ: Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Microsoft Edge, Opera।
সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine)
এটি কোনো সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি বিশাল ডেটাবেজ বা ওয়েবসাইট যা ইন্টারনেটের অজস্র তথ্যের মধ্য থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে।
- উদাহরণ: Google, Bing, Yahoo!, DuckDuckGo, Ask.com।
পরীক্ষার টিপস (Exam Tip): সার্চ ইঞ্জিন কীভাবে কাজ করে? সংক্ষেপে জেনে রাখুন: সার্চ ইঞ্জিন 'স্পাইডার' (Spider) বা 'বট' (Bot) নামক প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ইন্টারনেটের সব ওয়েবসাইট ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে (Crawling) এবং নিজের ডেটাবেজে সূচি তৈরি করে রাখে (Indexing)। আমরা সার্চ দিলে সে সেই সূচি থেকে ফলাফল দেখায়।
সংক্ষিপ্ত সারাংশ (Quick Revision)
একনজরে মনে রাখুন:
- ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্কের সমষ্টি, WWW হলো তথ্যের ভাণ্ডার।
- আইপি অ্যাড্রেস হলো মেশিনের চেনার ঠিকানা (সংখ্যাবাচক), ডোমেইন নেম হলো মানুষের চেনার ঠিকানা (অক্ষরবাচক)।
- IPv4 ৩২ বিটের, IPv6 ১২৮ বিটের।
- DNS ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
- URL হলো সম্পূর্ণ ঠিকানা, যার একটি অংশ হলো ডোমেইন নেম।
- .gov, .edu হলো জেনেরিক TLD; .bd, .in হলো কান্ট্রি কোড TLD।
পরিভাষা (Glossary)
| শব্দসংক্ষেপ | পূর্ণরূপ ও অর্থ |
|---|---|
| HTTP | HyperText Transfer Protocol: ওয়েব সার্ভার ও ক্লায়েন্টের (ব্রাউজারের) মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের নিয়ম বা প্রটোকল। |
| FTP | File Transfer Protocol: ইন্টারনেটে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করার প্রটোকল। |
| DNS | Domain Name System: ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তর করার ব্যবস্থা। |
| URL | Uniform Resource Locator: ওয়েবসাইটের বা ওয়েব পেজের অদ্বিতীয় ঠিকানা। |
| IP Address | Internet Protocol Address: ইন্টারনেটে যুক্ত ডিভাইসের লজিক্যাল ঠিকানা। |
| ISP | Internet Service Provider: যারা আমাদের ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে (যেমন: গ্রামীণফোন, লিংকথ্রি)। |