ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম: তারযুক্ত মাধ্যম
টুইস্টেড পেয়ার, কো-এক্সিয়াল এবং ফাইবার অপটিক ক্যাবলের গঠন, প্রকারভেদ ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত। এইচএসসি আইসিটি অধ্যায় ২।
ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম: তারযুক্ত মাধ্যম
- ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম: তারযুক্ত মাধ্যম
- ইন্টারনেট আসলে কোথায় থাকে?
- কমিউনিকেশন মাধ্যমের প্রকারভেদ
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (Twisted Pair Cable)
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের প্রকারভেদ
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল (Coaxial Cable)
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের প্রকার ও ব্যবহার
- অপটিক্যাল ফাইবার: আলোর গতিতে ডাটা
- অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন
- অপটিক্যাল ফাইবারের প্রকারভেদ
- অপটিক্যাল ফাইবারের সুবিধা ও অসুবিধা
- তুলনামূলক বিশ্লেষণ: কে সেরা?
- বাংলাদেশে সাবমেরিন ক্যাবল
- সারসংক্ষেপ ও আজকের পাঠ
লেকচার ২.৩: ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম (তারযুক্ত) - বিস্তারিত পাঠ ও পরীক্ষার প্রস্তুতি
লেকচারে আমরা শুনেছি কীভাবে ইন্টারনেটের ৯৯% ডাটা তারের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। আমরা যখন ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবপেজ ব্রাউজ করি বা ইউটিউবে ভিডিও দেখি, তখন মনে হতে পারে সব কিছুই হাওয়ায় ভেসে আসছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেটের এই বিশাল জগতটি দাঁড়িয়ে আছে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে যাওয়া হাজার হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার এবং আমাদের বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরণের তার বা ক্যাবলের ওপর। এই সেকশনে আমরা 'গাইডেড মিডিয়া' এর ফরমাল সংজ্ঞা এবং বিস্তারিত আলোচনা করব। একে 'গাইডেড' বলা হয় কারণ এটি ডাটাকে একটি নির্দিষ্ট পথ বা physical conduit দিয়ে গাইড করে বা পথ দেখিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্যাবল (SEA-ME-WE) এর মাধ্যমে আমরা কীভাবে গ্লোবাল ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত, তা এই গাইডেড মিডিয়ারই একটি বাস্তব উদাহরণ।
সংজ্ঞা (Definition): যে মাধ্যমটিতে ডাটা প্রেরক থেকে গ্রাহক পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট কঠিন বা ভৌত (Physical) পথের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তাকে তারযুক্ত মাধ্যম বা গাইডেড মিডিয়া (Guided Media) বলে। একে বাউন্ডেড মিডিয়াও (Bounded Media) বলা হয়।
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (Twisted Pair Cable): গঠন ও বৈশিষ্ট্য
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল হলো সবচেয়ে সাধারণ এবং বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম। বাসাবাড়িতে ল্যান্ডফোন সংযোগ বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরিতে এটি দেখা যায়। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে দুটি পরিবাহী কপার বা তামার তার একে অপরের সাথে সমহারে প্যাঁচানো (Twisted) থাকে। সাধারণত ৪ জোড়া বা ৮টি তার থাকে এবং প্রতি জোড়ায় একটি কমন রঙের (সাদা) তার থাকে।
লেকচারে টুইস্টেড পেয়ারের প্যাঁচানো বা 'Twist' থাকার কারণ হিসেবে নয়েজ কমানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কেন প্যাঁচানো থাকে? যখন বিদ্যৎ প্রবাহিত হয় তখন তার চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। সোজা তারের ক্ষেত্রে এই ক্ষেত্রটি পাশের তারের সিগন্যালে ব্যাঘাত ঘটায়, যাকে Crosstalk বলে।
গুরুত্বপূর্ণ (Important):
- প্যাঁচানোর কারণ: দুটি তারের মধ্যে প্যাঁচ বা Twist থাকার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র বা Electromagnetic Field একে অপরের প্রভাবকে নস্যাৎ (Cancel) করে দেয়। এতে ক্রসটক (Crosstalk) বা নয়েজ কমে যায় এবং ডাটা নিরাপদে প্রবাহিত হতে পারে।
- প্রতি ইঞ্চিতে প্যাঁচের সংখ্যা যত বেশি হবে, নয়েজ কমানোর ক্ষমতা বা ডাটা ট্রান্সমিশন রেট তত বেশি হবে।
প্রকারভেদ (Types)
গঠন অনুযায়ী টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার:
- UTP (Unshielded Twisted Pair): এতে তারের জোড়াগুলোর ওপর কোনো বাড়তি মেটালিক বা ধাতব আবরণ থাকে না। এটি নমনীয় এবং সস্তা, তাই ল্যান (LAN) নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- STP (Shielded Twisted Pair): এতে প্রতিটি জোড়া তারের ওপর একটি পাতলা ফয়েল বা তারের জালি (Shield) থাকে। এটি নয়েজ বা EMI (Electromagnetic Interference) প্রতিরোধে বেশি সক্ষম কিন্তু দামি এবং ভারী।
ক্যাটাগরি ও কানেক্টর
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল বিভিন্ন মানের হয়, যাকে ক্যাটাগরি (Category) বা সংক্ষেপে 'Cat' বলা হয়।
| ক্যাটাগরি | ব্যান্ডউইথ (ফ্রিকোয়েন্সি) | ডাটা রেট | ব্যবহার |
|---|---|---|---|
| Cat-5e | ১০০ MHz | ১ Gbps | সাধারণ ল্যান |
| Cat-6 | ২৫০ MHz | ১০ Gbps | গিগাবিট ইথারনেট |
পরীক্ষার টিপস (Exam Tip): টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের কানেক্টরকে RJ45 (Registered Jack) বলা হয়। এটি দেখতে টেলিফোন কানেক্টরের (RJ11) চেয়ে একটু বড়। পরীক্ষায় প্রায়ই কানেক্টরের নাম জানতে চাওয়া হয়।
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল (Coaxial Cable): গঠন ও ব্যবহারের বিস্তারিত
ডিশ টিভির সংযোগে বা সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরায় যে কালো রঙের মোটা তারটি দেখা যায়, সেটিই কো-এক্সিয়াল ক্যাবল। এর গঠন টুইস্টেড পেয়ারের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অনেক মজবুত। একে "Co-axial" বলা হয় কারণ এতে দুটি পরিবাহী (Conductor) একই অক্ষ (Axis) বরাবর থাকে।
গঠন প্রণালী
কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের চারটি প্রধান অংশ থাকে (ভেতর থেকে বাইরে):
- কোর (Core): এটি একেবারে কেন্দ্রে থাকা শক্ত তামার তার। এর মধ্য দিয়েই মূলত ডাটা বা সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।
- ডাই-ইলেকট্রিক ইনসুলেটর (Dielectric Insulator): এটি কোরের চারপাশে থাকা সাদা রঙের প্লাস্টিক বা ফোমের আবরণ। এটি কোর এবং বাইরের জালিকে একে অপরের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয় এবং সিগন্যালকে কেন্দ্রে ধরে রাখে।
- মেটালিক ফয়েল বা ব্রেইডেড শিল্ড (Metallic Shield): এটি সরু তামার তারের জালি। এটি বাইরের বৈদ্যুতিক নয়েজ বা EMI থেকে ভেতরের ডাটাকে রক্ষা করে এবং আর্থিং (Earthing) হিসেবে কাজ করে।
- জ্যাকেট (Jacket): এটি সবার বাইরের প্লাস্টিকের আবরণ যা তারকে রোদ-বৃষ্টি ও আঘাত থেকে রক্ষা করে।
সংজ্ঞা (Definition): কো-এক্সিয়াল ক্যাবল হলো এমন একটি ক্যাবল যেখানে কেন্দ্রে একটি কঠিন তামার তার এবং তাকে ঘিরে অপরিবাহী স্তর, ধাতব জালি ও বাইরের জ্যাকেট থাকে, যা উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির ডাটা পরিবহনে সক্ষম।
প্রকারভেদ (Types)
পুরুত্বের ওপর ভিত্তি করে এটি দুই প্রকার:
- থিননেট (Thinnet/10Base2): এটি সরু ও নমনীয়। এর ব্যাস ০.২৫ ইঞ্চি। এটি রিপিটার ছাড়া ১৮৫ মিটার পর্যন্ত ডাটা নিতে পারে।
- থিকনেট (Thicknet/10Base5): এটি বেশ মোটা ও ভারী। এর ব্যাস ০.৫ ইঞ্চি। এটি ৫০০ মিটার পর্যন্ত ডাটা নিতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ (Important):
কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের ডেটা ট্রান্সমিশন রেট ২০০ Mbps পর্যন্ত হতে পারে। এতে ব্যবহৃত কানেক্টরগুলো হলো:
- BNC Connector: সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- BNC T-Connector: নেটওয়ার্কের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করতে লাগে।
- BNC Terminator: ক্যাবলের শেষ প্রান্তে সিগন্যাল শোষণের জন্য লাগে।
অপটিক্যাল ফাইবার: আলোর গতির প্রযুক্তি
এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির এবং শক্তিশালী মাধ্যম। লেকচারে 'পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' এর ধারণাটি বলা হয়েছে, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করার জন্য এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানা জরুরি। অপটিক্যাল ফাইবার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে আলোক সিগন্যাল (Light Pulse) ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
সংজ্ঞা (Definition): অপটিক্যাল ফাইবার হলো সিলিকা কাঁচ (Silica Glass) বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সরু এক ধরণের তন্তু, যা ডাই-ইলেকট্রিক বা অপরিবাহী পদার্থ এবং যা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) পদ্ধতিতে আলোর গতিতে ডাটা আদান-প্রদান করে।
কাজের মূলনীতি: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় ক্রান্তি কোণের (Critical Angle) চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়, তখন আলো প্রতিসরিত না হয়ে পুনরায় প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য দুটি শর্ত আবশ্যক:
১. আলোক রশিকে অবশ্যই ঘন মাধ্যম (Core) থেকে হালকা মাধ্যমে (Cladding) যেতে হবে। অর্থাৎ, কোরের প্রতিসরণাঙ্ক ($n_1$) ক্ল্যাডিং-এর প্রতিসরণাঙ্ক ($n_2$) এর চেয়ে বেশি হতে হবে।
$$n_1 > n_2$$
২. আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের (Critical Angle) চেয়ে বড় হতে হবে।
গঠন
- কোর (Core): একেবারে ভেতরের অংশ যার ব্যাস ৮-১০০ মাইক্রন। এর রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স বা প্রতিসরণাঙ্ক সবচেয়ে বেশি (প্রায় ১.৫০)।
- ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরের ওপরের কাঁচের আবরণ। এর প্রতিসরণাঙ্ক কোরের চেয়ে কম (প্রায় ১.৪৫), যাতে আলো প্রতিফলিত হয়ে কোরে ফিরে আসে।
- বাফার কোটিং (Buffer Coating): বাইরের প্লাস্টিক জ্যাকেট যা ফাইবারকে আর্দ্রতা ও আঘাত থেকে রক্ষা করে।
প্রকারভেদ (Types)
কোরের গঠন ও আলোর মোড অনুযায়ী অপটিক্যাল ফাইবার তিন ধরণের হয়:
১. স্টেপ ইনডেক্স মাল্টিমোড: কোরের প্রতিসরণাঙ্ক সব জায়গায় সমান থাকে। একসঙ্গে অনেকগুলো আলোক রশ্মি বা মোড চলতে পারে। দূরত্ব কম হলে ব্যবহৃত হয়।
২. গ্রেডেড ইনডেক্স মাল্টিমোড: কোরের প্রতিসরণাঙ্ক কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে কমতে থাকে। এতে ডাটা লস কম হয়।
৩. সিঙ্গেল মোড ফাইবার: কোর খুব সরু হয় (৮-১০ মাইক্রন)। কেবল একটি আলোক রশ্মি বা মোড চলাচল করে। এটি লেজার লাইট ব্যবহার করে এবং দীর্ঘ দূরত্বের জন্য (যেমন সাবমেরিন ক্যাবল) ব্যবহৃত হয়।
তুলনামূলক বিশ্লেষণ: কোনটি সেরা?
| বৈশিষ্ট্য | টুইস্টেড পেয়ার (UTP) | কো-এক্সিয়াল | অপটিক্যাল ফাইবার |
|---|---|---|---|
| মূল উপাদান | তামা (Copper) | তামা (Copper) | কাঁচ বা প্লাস্টিক |
| সিগন্যাল টাইপ | ইলেকট্রিক্যাল | ইলেকট্রিক্যাল | আলোক (Light) |
| ব্যান্ডউইথ | ১০ Mbps - ১ Gbps | ১০ Mbps - ২০০ Mbps (সাধারণত) | ১০ Gbps - ১০০ Gbps+ |
| দূরত্ব (রিপিটার ছাড়া) | ১০০ মিটার | ১৮৫ - ৫০০ মিটার | ২ - ১০০+ কিলোমিটার |
| EMI/নয়েজ প্রভাব | সবচেয়ে বেশি | মাঝারি (শিল্ড থাকে বলে কম) | নেই (একেবারে মুক্ত) |
| খরচ | সবচেয়ে কম | মাঝারি | সবচেয়ে বেশি |
| নিরাপত্তা | কম (ট্যাপ করা সহজ) | মাঝারি | সর্বোচ্চ (ট্যাপ করা কঠিন) |
পরীক্ষার প্রস্তুতি: সৃজনশীল প্রশ্নের কৌশল (Exam Strategy)
সৃজনশীল প্রশ্নে (CQ) উদ্দীপক পড়ে বুঝতে হবে কোন ক্যাবলের কথা বলা হচ্ছে। নিচের 'কি-ওয়ার্ড' বা সংকেতগুলো মনে রাখলে সহজেই ধরা যাবে।
সৃজনশীল প্রশ্নের হ্যাকস:
- যদি উদ্দীপকে 'স্বচ্ছ', 'সরু কাঁচ', 'আলোর গতি', 'EMI মুক্ত', 'সবচেয়ে দ্রুত', 'সমুদ্রের তলদেশ' শব্দগুলো থাকে → উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবার।
- যদি 'ডিস লাইন', 'টিভি নেটওয়ার্ক', 'তামার জালি', 'বজ্রপাতে টিভি নষ্ট হওয়া' (কারণ শিল্ডে ভোল্টেজ আসে) থাকে → উত্তর: কো-এক্সিয়াল ক্যাবল।
- যদি 'প্যাঁচানো তার', 'RJ45', 'সবচেয়ে সস্তা মাধ্যম', 'অফিসের ল্যান (LAN)' থাকে → উত্তর: টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল।
সাধারণ সৃজনশীল প্রশ্ন প্যাটার্ন
প্রশ্ন: উদ্দীপকের নেটওয়ার্কটি দ্রুতগতির ও নিরাপদ করতে কোন মাধ্যমটি উত্তম?
উত্তর: সাধারণত অপটিক্যাল ফাইবার। কারণ এতে ডাটা আলোর গতিতে চলে, ব্যান্ডউইথ অসীম প্রায় এবং এতে কোনো ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক নয়েজ বা ক্রসটক নেই। তাই এটি সবচেয়ে নিরাপদ ও দ্রুত।
গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা (Glossary)
| পরিভাষা (Term) | ব্যাখ্যা (Definition) |
|---|---|
| Attenuation | দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে সিগন্যালের শক্তি কমে যাওয়া বা দুর্বল হয়ে যাওয়া। |
| EMI (Electromagnetic Interference) | বাইরের চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে ডাটা সিগন্যালে নয়েজ বা সমস্যা তৈরি হওয়া। |
| Bandwidth | প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডাটা স্থানান্তরিত হয় তার পরিমাপ। |
| Refractive Index (প্রতিসরণাঙ্ক) | কোনো মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো কতটা বাঁকা পথে যাবে বা গতি কমবে তার পরিমাপ। কোরের মান ক্ল্যাডিং-এর চেয়ে বেশি হতে হয়। |
| Splicing | দুটি অপটিক্যাল ফাইবারকে জোড়া লাগানোর বিশেষ প্রক্রিয়া। |
সংক্ষিপ্ত সারাংশ (Quick Revision):
- গাইডেড মিডিয়া মানেই তারযুক্ত মাধ্যম।
- টুইস্টেড পেয়ারে 'Twist' থাকে ক্রসটক কমানোর জন্য। কানেক্টর RJ45।
- কো-এক্সিয়ালে 'Mesh' বা জালি থাকে নয়েজ কমানোর জন্য। কানেক্টর BNC।
- অপটিক্যাল ফাইবার 'পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' নীতিতে চলে। কোর > ক্ল্যাডিং (প্রতিসরণাঙ্ক)।
- দূরপাল্লা এবং হাই-স্পিড ডাটার জন্য ফাইবার অপটিক অপ্রতিদ্বন্দ্বী।